Posts

The Brown Plant Hopper: A harmful pest of rice

Image
ধানের ক্ষতিকর পোকা বাদামী গাছ ফড়িং (Brown Plant Hopper) Brown Plant Hopper পোকা পরিচিতি পূর্ণবয়স্ক বাদামি গাছফড়িং প্রায় ৪ মিলিমিটার লম্বাএবং বাদামি রঙের হয়। এই পোকা পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় লম্বা পাখা ও ছোট পাখাবিশিষ্ট হয়ে থাকে। পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী ফড়িং পাতার খোল, পাতা ও পাতার মধ্যশিরার ভিতরে ডিম পাড়ে। চার থেকে নয় দিনের মধ্যে ডিম থেকে কীড়া বের হয়। প্রথম পর্যায়ে কীড়াগুলোর রঙ সাদা থাকে এবং পরে বাদামি আকার ধারণ করে। কীড়া থেকে পূর্ণবয়স্ক ফড়িং-এ পরিণত হতে আবহাওয়া ভেদে ১৪-২৬ দিন সময় লাগে। পূর্ণবয়স্ক বাদামি গাছফড়িং প্রায় তিন সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। ক্ষতির ধরন বাচ্চা ও পূর্ণবয়স্ক উভয়েই ধান গাছর গোড়ায় বসে রস শুষে খায়।  সাধারণত কাইচথোড় শুরুর থেকে এ পোকার আক্রমণ দেখা যায় ।  বোরো ও আমন মৌসুমে এ পোকার আক্রমণ দেখা যায়।  বিপুলসংখ্যক ফড়িং রস শুষে খাওয়ার ফলে হপার বার্ণ বা ফড়িং পোড়ার সৃষ্টি হয়।  আর্দ্র ও ছায়াযুক্ত স্থান এবং জমিতে পানি জমে থাকলে আক্রমণ বেশি হয়। Hopper Burn হপার বার্ণ দমন ব্যবস্থাপনা আলোকফাঁদ ব্যবহার করা । জমিতে রোপণের দূরত্ব বাড়িয়ে দে...

ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায় কি?

Image
 ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায় কি?  ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায়- ফরমালিন দেয়া মাছের চোখগুলো সাধারণত ফ্যাকাসে বর্ণের হয়ে যায় এবং ভেতরের দিকে ঢোকানো থাকে।  ফরমালিন দেয়া মাছের গায়ে পিচ্ছিল পদার্থ থাকে না।  ফরমালিন দেয়া মাছের ফুলকা গুলো লালচে বর্ণের থাকে না বরং কালচে বর্ণের হয়ে যায়।  এদের দেহ শুষ্ক হয়ে যায়।  আমরা জানি, মাছের একটি স্বাভাবিক গন্ধ আছে। সেই গন্ধটিও ফরমালিন দেয়া মাছে পাওয়া যায় না। এবং এই ধরনের মাছে সাধারণত মাছিও বসে না।

কল্যাণ আবুল ফজল

Image
  কল্যাণ আবুল ফজল আবুল ফজলের জন্ম ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দের পহেলা জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়। তাঁর পিতার নাম ফজলুর রহমান। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন। স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে প্রায় ত্রিশ বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সমাজ ও সমকাল-সচেতন সাহিত্যিক এবং প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবী হিসেবে তিনি সমধিক খ্যাত। ছাত্রজীবনেই যুক্ত হন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে অন্যদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম সাহিত্য সমাজ। কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিতি গভীর অর্জন করলেও তিনি ছিলেন মূলত চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক। তাঁর প্রবন্ধে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ও রাষ্ট্র তাঁর ও স্বচ্ছ দৃষ্টির পরিচয় বিধৃত। আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি, মানবতা ও শুভবোধ তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয়।  তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— উপন্যাস : চৌচির', 'রাঙা প্রভাত" ;  গল্পগ্রন্থ : 'মাটির পৃথিবী', 'মৃতের আত্মহত্যা';  প্রবন্ধ : 'সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা', 'সাহিত্য সংস...

আমাদের নিয়মিত শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন কেন?

Image
আমাদের নিয়মিত শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন কেন? শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে সহজ পাচ্চ শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন বা আমিষ, ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান রয়েছে। এছাড়াও শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি ইত্যাদি। বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি যেমন লাউ, সজিনা, পালং শাক, পুইশাক, লাল শাক। এসবে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। ভিটামিন এ আমাদের শরীরে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও গাড় বর্ণের গাড় সবুজ বর্ণের এবং লাল বর্ণের সবজিতে রয়েছে ভিটামিন এ ছাড়াও আয়রন এবং ক্যালসিয়াম। কাঁচা মরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি আমাদের দাঁতের মাড়ি ভালো রাখে। এছাড়াও ভিটামিন সি আমাদেরকে সর্দি-কাশি এসব থেকেও রক্ষা করে। ভিটামিন বি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিভিন্ন ধরনের সবজি যেমন সিম, মটরশুটি, বরবটি এসবে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আমিষ বা প্রোটিন। এসব আমিষ জাতীয় খাদ্য আমাদের শরীর গঠন, দৈহিক বৃদ্ধি এবং ক্ষয় পূরণে সাহায্য করে। নিয়মিত শাকসবজি খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্য সমস্যা দূর হয়। আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন কার্ডিয়াক ডিজ...

ডালকে গরীবের মাংস বলা হয় কেন?

Image
ডালকে গরীবের মাংস বলা হয় কেন?  আমরা জানি ডাল একটি আমিষ জাতীয় খাদ্য। ডালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ রয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে মাংসের মাধ্যমে আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু অনুন্নত বা গরীব দেশগুলোতে মাংসের মাধ্যমে আমিষের চাহিদা পূরণ করা অসম্ভব। কারণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির বাজারে এসব মাংসের প্রচুর বাজার মূল্য রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন মসুর, মুখ, মাসকলাই, মটর, ছোলা, খেসারি, অরহর ইত্যাদি ডাল সহজল্য। এসব ডালেও প্রচুর পরিমাণে আমিষ রয়েছে। প্রজাতিদে বিভিন্ন ধরনের ডালে 20 থেকে 30 শতাংশ পর্যন্ত আমিষ রয়েছে। অথচ মাংসের মধ্যে 10 থেকে 12 শতাংশ পর্যন্ত আমিষ থাকে। তাই পুষ্টি বিবেচনায় ডালকে গরীবের মাংস বলা হয়।

মীর মশাররফ হোসেন

Image
মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম। তাঁর পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় বেশিদূর অগ্রসর না হলেও মীর মশাররফ হোসেন ফরিদপুর নবাব এস্টেটে ও দেলদুয়ার এস্টেটে চাকরি করে জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেন। এরপর তিনি কলকাতায় অনেক দিন অবস্থান করেন। ছাত্রজীবনেই 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার তাঁর রচনা প্রকাশিত হয়। মুসলিম রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সমন্বয়ধর্মী ধারার প্রবর্তক হিসেবে তিনি খ্যাত।   তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে—  নাটক :  'বসন্তকুমারী',  'জমীদার দর্পণ',  ‘এর উপায় কি; গদ্য :  'বিষাদ-সিন্ধু ',  'নিয়তি কি অবনতি',  'উদাসীন পথিকের মনের কথা',  'গাজী মিয়ার বস্তানী',  'ফাস কাগজ' প্রভৃতি।  মহররমের বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি অবলম্বনে রচিত 'বিষাদ-সিন্ধু' তাঁর বিস্ময়কর সৃষ্টি। তাঁর রচিত মহাকাব্যধর্মী এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ। মীর মশাররফ হোসেন ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে ডিসেম্বর মৃত্য...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Image
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে ( ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাতা সারদা দেবী । বিশ্বকবি অভিধায় সম্ভাষিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচয়িতা এবং বাংলা ছোটগল্পের শ্রেষ্ঠ শিল্পী । তাঁর লেখনীতেই বাংলা ছোটগল্পের উদ্ভব, বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটেছে। তাঁর ছোটগল্প বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ছোটগল্পগুলোর সমতুল্য। ১২৮৪ বঙ্গাব্দে মাত্র ষোল বছর বয়সে "ভিখারিনী" গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটগল্প লেখক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে । এর পর থেকে জীবনের প্রায় শেষ দিন পর্যন্ত দীর্ঘ চৌষট্টি বছরে তিনি অখণ্ড 'গল্পগুচ্ছে' সংকলিত ৯৫টি ছোটগল্প রচনা করেছেন। এর বাইরে 'সে', 'গল্পসল্প' এবং 'লিপিকা' গ্রন্থে তাঁর আরও গল্প সংকলিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্পটির নাম 'মুসলমানীর গল্প'। পারিবারিক জমিদারি তদারকির সূত্রে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসবাসের কালপর্বই রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ। 'সোনার তরী' কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবিত...