Posts

ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায় কি?

Image
 ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায় কি?  ফরমালিন দেয়া মাছ চেনার উপায়- ফরমালিন দেয়া মাছের চোখগুলো সাধারণত ফ্যাকাসে বর্ণের হয়ে যায় এবং ভেতরের দিকে ঢোকানো থাকে।  ফরমালিন দেয়া মাছের গায়ে পিচ্ছিল পদার্থ থাকে না।  ফরমালিন দেয়া মাছের ফুলকা গুলো লালচে বর্ণের থাকে না বরং কালচে বর্ণের হয়ে যায়।  এদের দেহ শুষ্ক হয়ে যায়।  আমরা জানি, মাছের একটি স্বাভাবিক গন্ধ আছে। সেই গন্ধটিও ফরমালিন দেয়া মাছে পাওয়া যায় না। এবং এই ধরনের মাছে সাধারণত মাছিও বসে না।

কল্যাণ আবুল ফজল

Image
  কল্যাণ আবুল ফজল আবুল ফজলের জন্ম ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দের পহেলা জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়। তাঁর পিতার নাম ফজলুর রহমান। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন। স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে প্রায় ত্রিশ বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সমাজ ও সমকাল-সচেতন সাহিত্যিক এবং প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবী হিসেবে তিনি সমধিক খ্যাত। ছাত্রজীবনেই যুক্ত হন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে অন্যদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম সাহিত্য সমাজ। কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিতি গভীর অর্জন করলেও তিনি ছিলেন মূলত চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক। তাঁর প্রবন্ধে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ও রাষ্ট্র তাঁর ও স্বচ্ছ দৃষ্টির পরিচয় বিধৃত। আধুনিক অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি, মানবতা ও শুভবোধ তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয়।  তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— উপন্যাস : চৌচির', 'রাঙা প্রভাত" ;  গল্পগ্রন্থ : 'মাটির পৃথিবী', 'মৃতের আত্মহত্যা';  প্রবন্ধ : 'সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা', 'সাহিত্য সংস...

আমাদের নিয়মিত শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন কেন?

Image
আমাদের নিয়মিত শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন কেন? শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে সহজ পাচ্চ শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন বা আমিষ, ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান রয়েছে। এছাড়াও শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি ইত্যাদি। বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি যেমন লাউ, সজিনা, পালং শাক, পুইশাক, লাল শাক। এসবে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। ভিটামিন এ আমাদের শরীরে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও গাড় বর্ণের গাড় সবুজ বর্ণের এবং লাল বর্ণের সবজিতে রয়েছে ভিটামিন এ ছাড়াও আয়রন এবং ক্যালসিয়াম। কাঁচা মরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি আমাদের দাঁতের মাড়ি ভালো রাখে। এছাড়াও ভিটামিন সি আমাদেরকে সর্দি-কাশি এসব থেকেও রক্ষা করে। ভিটামিন বি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিভিন্ন ধরনের সবজি যেমন সিম, মটরশুটি, বরবটি এসবে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আমিষ বা প্রোটিন। এসব আমিষ জাতীয় খাদ্য আমাদের শরীর গঠন, দৈহিক বৃদ্ধি এবং ক্ষয় পূরণে সাহায্য করে। নিয়মিত শাকসবজি খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্য সমস্যা দূর হয়। আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন কার্ডিয়াক ডিজ...

ডালকে গরীবের মাংস বলা হয় কেন?

Image
ডালকে গরীবের মাংস বলা হয় কেন?  আমরা জানি ডাল একটি আমিষ জাতীয় খাদ্য। ডালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ রয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে মাংসের মাধ্যমে আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু অনুন্নত বা গরীব দেশগুলোতে মাংসের মাধ্যমে আমিষের চাহিদা পূরণ করা অসম্ভব। কারণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির বাজারে এসব মাংসের প্রচুর বাজার মূল্য রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন মসুর, মুখ, মাসকলাই, মটর, ছোলা, খেসারি, অরহর ইত্যাদি ডাল সহজল্য। এসব ডালেও প্রচুর পরিমাণে আমিষ রয়েছে। প্রজাতিদে বিভিন্ন ধরনের ডালে 20 থেকে 30 শতাংশ পর্যন্ত আমিষ রয়েছে। অথচ মাংসের মধ্যে 10 থেকে 12 শতাংশ পর্যন্ত আমিষ থাকে। তাই পুষ্টি বিবেচনায় ডালকে গরীবের মাংস বলা হয়।

মীর মশাররফ হোসেন

Image
মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম। তাঁর পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় বেশিদূর অগ্রসর না হলেও মীর মশাররফ হোসেন ফরিদপুর নবাব এস্টেটে ও দেলদুয়ার এস্টেটে চাকরি করে জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেন। এরপর তিনি কলকাতায় অনেক দিন অবস্থান করেন। ছাত্রজীবনেই 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার তাঁর রচনা প্রকাশিত হয়। মুসলিম রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সমন্বয়ধর্মী ধারার প্রবর্তক হিসেবে তিনি খ্যাত।   তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে—  নাটক :  'বসন্তকুমারী',  'জমীদার দর্পণ',  ‘এর উপায় কি; গদ্য :  'বিষাদ-সিন্ধু ',  'নিয়তি কি অবনতি',  'উদাসীন পথিকের মনের কথা',  'গাজী মিয়ার বস্তানী',  'ফাস কাগজ' প্রভৃতি।  মহররমের বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি অবলম্বনে রচিত 'বিষাদ-সিন্ধু' তাঁর বিস্ময়কর সৃষ্টি। তাঁর রচিত মহাকাব্যধর্মী এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ। মীর মশাররফ হোসেন ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে ডিসেম্বর মৃত্য...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Image
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে ( ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাতা সারদা দেবী । বিশ্বকবি অভিধায় সম্ভাষিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচয়িতা এবং বাংলা ছোটগল্পের শ্রেষ্ঠ শিল্পী । তাঁর লেখনীতেই বাংলা ছোটগল্পের উদ্ভব, বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটেছে। তাঁর ছোটগল্প বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ছোটগল্পগুলোর সমতুল্য। ১২৮৪ বঙ্গাব্দে মাত্র ষোল বছর বয়সে "ভিখারিনী" গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটগল্প লেখক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে । এর পর থেকে জীবনের প্রায় শেষ দিন পর্যন্ত দীর্ঘ চৌষট্টি বছরে তিনি অখণ্ড 'গল্পগুচ্ছে' সংকলিত ৯৫টি ছোটগল্প রচনা করেছেন। এর বাইরে 'সে', 'গল্পসল্প' এবং 'লিপিকা' গ্রন্থে তাঁর আরও গল্প সংকলিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্পটির নাম 'মুসলমানীর গল্প'। পারিবারিক জমিদারি তদারকির সূত্রে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসবাসের কালপর্বই রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ। 'সোনার তরী' কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবিত...

কাজী আবদুল ওদুদ

Image
কাজী আবদুল ওদুদ কাজী আবদুল ওদুদ ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ২৬ শে এপ্রিল রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানার বাগমারা গ্রামে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কাজী সগীরউদ্দীন ও মাতা খোদেজা খাতুন । অসাধারণ মেধাবী কাজী আবদুল ওদুদ কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ এবং অর্থনীতি বিষয়ে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বিচারপতি রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি আমীন আহমদ প্রমুখ তাঁর সহপাঠী ছিলেন । তিনি সংস্কৃত, ফারসি, উর্দু ও আরবি ভাষায়ও দক্ষতা অর্জন করেন। ছাত্রাবস্থায়ই তিনি রবীন্দ্রভক্ত হন এবং সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজে (বর্তমান ঢাকা কলেজে) বাংলা বিষয়ে অধ্যাপনা করেন । এ সময় ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংগঠনের সদস্যরা 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন পরিচালনা করেন। কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন এ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব । তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক যুগন্ধর পুরুষ। কাজী আবদুল ওদুদ বাংলা সরকারের টেক্সট বুক কমিটির সম্পাদক নিযুক্ত হয়ে কলকাতা যান। সেখানে অবস্থ...

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Image
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই সেপ্টেম্বর পশ্চিম বাংলার হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় , জননী ভুবনমোহিনী দেবী । বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ঔপন্যাসিকের ছেলেবেলা কাটে দারিদ্র্যের মধ্যে। চব্বিশ বছর বয়সে মনের ঝোঁকে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেছিলেন শরৎচন্দ্র। সংগীতজ্ঞ হিসেবে খ্যাতির সূত্রে ঘটনাচক্রে এক জমিদারের বন্ধু হয়েছিলেন তিনি ; জীবিকার তাগিদে দেশ ছেড়ে গিয়েছিলেন বর্মা মুল্লুকে অর্থাৎ বর্তমান মিয়ানমারে। শরৎচন্দ্র তাঁর জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও বিচিত্র সব মানুষের চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁর বিভিন্ন উপন্যাসে। বিশেষ করে সমাজের নিচু তলার মানুষ তাঁর সৃষ্ট চরিত্রে অপূর্ব মহিমা নিয়ে চিত্রিত হয়েছে। কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের শিল্পীমানসের মৌল বৈশিষ্ট্য মানবতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা। শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কুন্তলীন পুরস্কারপ্রাপ্ত 'মন্দির' নামে একটি গল্প ।  তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে:  'দেবদাস', 'পল্লী-সমাজ', 'চরিত্রহীন', 'শ্রীকান্ত', ...

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

Image
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাংলা অঞ্চলের মুসলমান সমাজে নারী জাগরণের পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন অন্তঃপুরবাসিনী জীবন শুরু করলেও সামাজিক সীমাবদ্ধতার বেড়াজাল অতিক্রম করে বিদ্যাচর্চার, শিক্ষা সংগঠনে ও সামাজিক অগ্রগতি সাধনে বরণীয় ও স্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি বিরাট ঝুঁকি নিয়ে অবরোধবাসিনীদের উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণ করার যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা আমাদের সমাজজীবনে আজ সার্থকতা লাভ করেছে। মুসলমান মেয়েদের শিক্ষার জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা তাঁর অসাধারণ কীর্তি। সমস্ত প্রতিকূলতার ভিতরেও আপন উদ্যম ও প্রচেষ্টায় রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় যে দক্ষতা অর্জন করেছিলেন তা বিস্ময়কর। রোকেয়া সাখাওয়াত হেসেন বাংলা সাহিত্যে বেগম রোকেয়া নামে বিশেষ পরিচিত । সমাজসেবা ব্রত হলেও রোকেয়া কলম ধরেছিলেন সমাজকে জাগানোর লক্ষ্যে এবং এভাবেই তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন তীক্ষ্ণ, ঋজু, যুক্তিনিষ্ঠ গদ্যলেখক এবং সমাজসচেতন সাহসী সাহিত্যিক হিসেবে। ঠিক বেগম রোকেয়ার তুল্য লেখক তৎকালীন হিন্দু বা মুসলমান, নারী বা পুরুষ আর কেউ ছিলেন না – বেগম রোকেয়া এমনই এক অদ্বিতীয় রচনারীতির অধিকারী ছিলেন।  তাঁর উল্লেখযোগ্য...

প্রমথ চৌধুরী

Image
প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন পরিশীলিত বাগবৈদগ্ধ্যময় রম্যরচনায় সিদ্ধহস্ত। তাঁর বহু রচনা প্রকাশিত হয়েছে ' বীরবল' ছদ্মনামে । বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র 'সবুজপত্র' (প্রথম প্রকাশ : ১৯১৪) পত্রিকাটি ছিল তাঁরই সম্পাদিত । রবীন্দ্রনাথসহ সমকালীন বিখ্যাত মননশীল লেখকদের অনেকেই ছিলেন এই পত্রিকার লেখক ।  তাঁর গদ্যশৈলীর নিদর্শন রয়েছে  চার ইয়ারী কথা  ‘বীরবলের হালখাতা',  'রায়তের কথা',  'তেল-নুন-লকড়ি' ইত্যাদি গ্রন্থে। তাঁর গল্পগ্রন্থগুলো ও সনেট পঞ্চাশৎ কাব্যগ্রন্থ যথাক্রমে গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও বাংলা সাহিত্যে তাঁকে বিশিষ্ট আসন দিয়েছে। প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে । তিনি ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মৃত্যু ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে । সাহিত্যে খেলা - প্রমথ চৌধুরী

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার মুরারিপুর গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতৃনিবাস একই জেলার ব্যারাকপুর গ্রামে । বিভূতিভূষণের বাল্য ও কৈশোরকাল কাটে অত্যন্ত দারিদ্র্যে। কিন্তু তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। ১৯১৪ সালে ম্যাট্রিক ও ১৯১৬ সালে আইএ- উভয় পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে এবং ১৯১৮ সালে ডিস্টিংশনসহ বিএ পাস করেন। তিনি দীর্ঘদিন স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন এবং এর পাশাপাশি শহর থেকে দূরে অবস্থান করে নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যসাধনা করেছেন। বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে তিনি তাঁর অসাধারণ শিল্পসুষমাময় ভাষায় সাবলীল গদ্যে প্রকাশ করেছেন। মানুষকে তিনি দেখেছেন গভীর মমত্ববোধ ও নিবিড় ভালোবাসা দিয়ে। তাঁর গদ্য কাব্যময় ও চিত্রাত্মক বর্ণনায় সমৃদ্ধ । বিভূতিভূষণের কালজয়ী যুগল উপন্যাস  'পথের পাঁচালী',  'অপরাজিতা।  তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে  'আরণ্যক',  'দেবযান' ও  'ইছামতি';  গল্পগ্রন্থ:  'মেঘমল্লার',  'মৌরীফুল', রয়েছে- উপন্যাস : দৃষ্টি... 'যাত্রাবদল...

কাজী মোতাহার হোসেন

Image
কাজী মোতাহার হোসেন কাজী মোতাহার হোসেনের জন্য ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুলাই কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার লক্ষ্মীপুরে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বৃহত্তর ফরিদপুরের রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তাঁর পিতার নাম কাজী গওহর উদ্দীন আহমদ, মায়ের নাম তসিরুন্নেসা। পদার্থবিজ্ঞানের কৃতী ছাত্র মোতাহার হোসেন কর্মজীবনে অধ্যাপনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে । ১ ৯৭৫ সালে 'জাতীয় অধ্যাপক' পদে ভূষিত হওয়া প্রথম তিনজনের অন্যতম ছিলেন তিনি। বিশ ও ত্রিশের দশকে ঢাকায় 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' নামে পরিচিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক এবং ওই আন্দোলনের মুখপত্র বিখ্যাত "শিখা' পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক। মননশীল লেখক কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন একাধারে বিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক। তিনি বিজ্ঞান, ধর্ম, ইতিহাস, সাহিত্য, সংগীত ইত্যাদি নিয়ে অনেক তথ্যসমৃদ্ধ মননশীল প্রবন্ধ লিখেছেন।  তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে-  প্রবন্ধ সংকলন:  'সঞ্চরন' ও  'নির্বাচিত প্রবন্ধ';  সমালোচনাগ্রন্থ :  'নজরুল কাব্য পরিচিতি';  পাঠ্য বিজ্ঞানগ্রন্থ :  'গণিত শাস্...

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৬শে জুন পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষায় প্রথম শিল্পসম্মত উপন্যাস রচনার কৃতিত্ব তাঁরই। তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ডেপুটি কালেক্টর। ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রথম স্নাতকদের মধ্যে তিনি একজন। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। চাকরিসূত্রে খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করে তিনি নীলকরদের অত্যাচার দমন করেছিলেন। দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান, যোগ্য বিচারক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল। বাংলা সাহিত্যচর্চায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছিলেন তিনি। উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনার বাইরে 'বঙ্গদর্শন' (১৮৭২) পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ তাঁর অন্যতম কীর্তি । ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে 'সম্বাদ প্রভাকর' পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু । বঙ্কিমচন্দ্রের গ্রন্থসংখ্যা ৩৪ । তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।   তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো :  'কপালকুণ্ডলা',  'মৃণালিনী...

আবু জাফর শামসুদ্দীন

Image
  আবু জাফর শামসুদ্দীন আবু জাফর শামসুদ্দীনের জন্ম বৃহত্তর ঢাকার গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জে ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই মার্চ। প্রতিষ্ঠানিকভাবে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ না করলেও তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সরকারি চাকরিও করেছেন। সমাজ-সচেতন ও রাজনীতি-সচেতন ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন সংস্কারমুক্ত, প্রগতিকামী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন। বাংলাদেশের অগ্রগণ্য কথাসাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দীন পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাহিত্যসাধনায় ব্রতী ছিলেন। কেবল গল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি পরিচিত নন; তিনি নাটক লিখেছেন, অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। তিনি বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ পরিচিত ও আলোচিত হন 'ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান' নামের উপন্যাস লিখে। তাঁর অন্যান্য উপন্যাস হচ্ছে : 'পদ্মা মেঘনা যমুনা', 'সংকর সংকীর্তন', 'প্রপঞ্চ', 'দেয়াল'। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ হচ্ছে : 'শেষ রাত্রির তারা', 'এক জোড়া প্যান্ট ও অন্যান্য', 'রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা', 'আবু জাফর শামসুদ্দীনের শ্রেষ্ঠ গল্প', ইত্যাদি। তাঁর রচিত ...

সৈয়দ মুজতবা আলী

Image
  সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল আসামের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস বৃহত্তর সিলেট জেলার। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ সিকান্দার আলী। মুজতবা আলীর শিক্ষাজীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে শান্তিনিকেতনে। তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। আফগানিস্তানের কাবুলে কৃষিবিজ্ঞান কলেজে কিছুকাল অধ্যাপনা করেন তিনি। এছাড়াও দেশে-বিদেশে বহুস্থানে তিনি কর্মসূত্রে গমন করেছেন। আরবি, ফারসি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মানসহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর দক্ষতা ছিল। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রসাহিত্যের বিশেষ অনুরাগী। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে তাঁর ছিল বিশেষ পাণ্ডিত্য। সাহিত্যিক রসবোধ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার মুখ্য প্রবণতা। তাঁর রচনায় বিচিত্র জীবনপ্রবাহের নানা অনুষঙ্গ কৌতুক ও ব্যঙ্গে রসাবৃত হয়ে উপস্থাপিত হয়।  সৈয়দ মুজতবা আলীর উল্লেল্লখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে  'দেশে বিদেশে',  'পঞ্চতন্ত্র',  'চাচাকাহিনি',  'শবনম',  'কত না অশ্রুজল' গন্তব্য কাবুল...

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

Image
 সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ১৯৭৪ সালে ‘ বিচিত্রা' য় প্রকাশিত ‘ বিশাল মৃত্যু ’ গল্প দিয়ে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের । এরপর বিরতি দিয়ে ফের আশির দশকে আবার গল্প লেখা শুরু করেন তিনি । গল্পগ্রন্থসহ তাঁর সাহিত্য সমালোচনা , নন্দনতত্ত্ব ও প্রবন্ধের বই বেরিয়েছে ।  তাঁর বইয়ের মধ্যে রয়েছে - ‘ নন্দনতত্ত্ব ’   ‘ নন্দীছড়ার যোদ্ধারা ,  ‘ একাত্তর ও অন্যান্য গল্প ’ ,  ‘ দেখা অদেখার গল্প ' ,  ‘ কানাগলির মানুষেরা ' ইত্যাদি। ২০০৫ সালে প্রকাশিত ' প্রেম ও প্রার্থনার গল্প ' প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার লাভ করে।  ১৯৯৬ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।  বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ২০১৬ সালে কাজী মাহবুবউল্লাহ পুরস্কারেও ভূষিত হন।  ২০১৮ সালে পান একুশে পদক।

দ্বিজ কানাই

Image
দ্বিজ কানাই মহুয়া মধ্যযুগের কবি দ্বিজ কানাই পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিবাসী। দল গঠন করে তিনি তৎকালীন লোকনাট্যরীতিতে নাটকের অভিনয় করিয়েছিলেন। দ্বিজ কানাই এক অসবর্ণ তরুণীর প্রতি প্রণয়াসক্ত হয়ে গভীর দুঃখ ভোগ করেন বলে শোনা যায়। দীনেশচন্দ্র সেনের অনুমান অনুযায়ী, তিনি সতেরো শতকের কবি । তাঁর সম্পর্কে যে প্রবাদ প্রচলিত তাতে জানা যায়, তিনি বর্ণবিভক্ত সমাজে উচ্চবর্ণ তথা ব্রাহ্মণশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হলেও নিম্নবর্ণ অর্থাৎ শূদ্রশ্রেণির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন । 'মহুয়া' পালা রচনায় তাঁর যে উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটেছে তার মূলে তাঁর ব্যক্তি জীবনের সংস্কারমুক্ত মানবিক বোধ সক্রিয় বলে ধারণা করা হয়। মহুয়া - দ্বিজ কানাই

মারিয়া কোরিনা মাচাডো (MARÍA CORINA MACHADO) শান্তিতে নোবেল বিজয়ী

Image
মারিয়া কোরিনা মাচাদো সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো: ১. নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী: তিনি ২০২৫ সালে গণতন্ত্রের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ ও সাহসী সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ২. ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও শিল্প প্রকৌশলী: তিনি একজন ভেনেজুয়েলীয় রাজনীতিবিদ এবং শিল্প প্রকৌশলী। ৩. জন্ম: তিনি ১৯৬৭ সালের ৭ অক্টোবর কারাকাসে (ভেনেজুয়েলা) জন্মগ্রহণ করেন। ৪. বিরোধী নেত্রী: তিনি উগো চাভেস এবং নিকোলাস মাদুরোর সরকারের একজন বিশিষ্ট বিরোধী নেত্রী হিসেবে পরিচিত। ৫. জাতীয় পরিষদের সদস্য: তিনি ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৬. রাজনৈতিক দল: তিনি ভেনেজুয়েলার বিরোধীদল ভেন্তে ভেনেজুয়েলার নেতা এবং এই উদার-রাজনৈতিক দলটির একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ৭. প্রারম্ভিক সংগঠন: তিনি ২০০২ সালে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন "সুমাতে" (Súmate)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, যা মুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে প্রচারণা চালাত। ৮. প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা বাতিল: ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্ব...

পরাগায়নের প্রভাবক

Image
৪৯তম বি.সি.এস লিখিত পরীক্ষা (শিক্ষা) -২০২৫ এর MCQ  টাইপ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ( কৃষি - ৮০১ )  ধানের পরাগায়নের সময় কোন ফ্যাক্টরটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?  উত্তর : তাপমাত্রা  ব্যাখ্যা :  পরাগায়নের প্রধান প্রভাবকগুলো হলো পরাগায়নের মাধ্যম (যেমন – বায়ু, পানি, পোকামাকড়, পাখি, বাদুড়), ফুলের গঠন এবং রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য, এবং পরিবেশগত কারণ (যেমন – তাপমাত্রা, খরা)। পরাগায়নের সময় ও কৌশলও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন হাতে পরাগায়নের প্রয়োজন হয়।   পরাগায়নের মাধ্যম বায়ু: অনেক উদ্ভিদ পরাগায়নের জন্য বায়ুর উপর নির্ভর করে, যেমন – ঘাস এবং অনেক শস্য।  পানি: কিছু জলজ উদ্ভিদ পরাগায়নের জন্য পানির উপর নির্ভর করে।  কীট-পতঙ্গ: মৌমাছি, প্রজাপতি এবং অন্যান্য পোকামাকড় ফুলের রেণুকে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে বহন করে নিয়ে যায়।  প্রাণী: পাখি, বাদুড় এবং অন্যান্য ছোট প্রাণী পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  মানুষ: কিছু ক্ষেত্রে, মানুষ সরাসরি হাত পরাগায়ন করে।  ফুলের বৈশিষ্ট্য ফুলের গঠন: ফুলের গঠন পরাগায়নের মাধ্যমকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, কিছু ফুল...

আবদুল হক

Image
  আবদুল হক বাংলাদেশের প্রবন্ধসাহিত্যের অন্যতম খ্যাতিমান পুরুষ আবদুল হক। বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার উদয়নগর গ্রামে ১৯১৮ সালের ১০ই অক্টোবর মাসে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতার নাম সহিমুদ্দিন বিশ্বাস এবং মাতার নাম সায়েমা খাতুন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তাঁকে শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে হয়েছে। তিনি কানসাট, টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও কলকাতায় পড়াশোনা করেন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পর তিনি সবশেষে বাংলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। পাকিস্তান-পর্বে আবদুল হক বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা নিয়ে ক্ষুরধার লেখা লিখে কলম সৈনিক ' উপাধি লাভ করেন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে ১৯৪৭-পূর্বকালেই তিনি কলম ধরেন এবং এ বিষয়ক প্রথম লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পান। সরকারি কর্মচারী হয়েও বেনামে সরকারবিরোধী লেখায় তিনি যে সাহসিকতা প্রদর্শন করেন তা দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। মুক্তবুদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্কতা, শানিত যুক্তি, বক্তব্যের সাবলীল উপস্থাপন প্রভৃতি তাঁর রচনার বৈশিষ্ট্য। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের তিনি এক যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হন। প্রবন্ধ রচনা ছাড়াও তিনি লিখেছেন কবিতা, ছোটগল্প, ...